টেকসিঁড়ি রিপোর্ট : ভারতের স্পেস-টেক স্টার্টআপ ইথারিয়ালএক্স ( EtherealX ) বর্তমানে বেশ আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে। ব্যাঙ্গালুরু ভিত্তিক এই কোম্পানিটিকে অনেকেই ভারতের স্পেসএক্স ( “SpaceX”) হিসেবে অভিহিত করছেন। ইথারিয়ালএক্স সম্প্রতি ফাণ্ডিং রাউন্ডে প্রায় ২০.৫ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ১৭২ কোটি রুপি) সংগ্রহ করেছে।
এই বিনিয়োগের পর কোম্পানিটির বাজার মূল্যায়ন গত রাউন্ডের তুলনায় প্রায় ৫.৫ গুণ বেড়ে ৮০.৫ মিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। এই রাউন্ডে নেতৃত্ব দিয়েছে TDK Ventures এবং BIG Capital।
কোম্পানিটির মূল লক্ষ্য হলো ‘Razor Crest Mk-1’ নামে একটি মাঝারি মানের লঞ্চ ভেহিকেল বা রকেট তৈরি করা। ইলন মাস্কের স্পেসএক্স এর ফ্যালকন ৯ রকেটের শুধুমাত্র প্রথম অংশ (Booster) ফিরে আসে। কিন্তু ভারতের স্পেসএক্স দাবি করছে, তাদের রকেটের বুস্টার এবং ওপরের অংশ (Upper Stage)—উভয়ই পৃথিবীতে অক্ষত ফিরে আসবে এবং পুনরায় ব্যবহার করা যাবে। এটি সফল হলে উপগ্রহ উৎক্ষেপণের খরচ বর্তমান বাজারের তুলনায় অনেক কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।
ফাণ্ডিং থেকে পাওয়া অর্থ তারা মূলত তাদের শক্তিশালী ইঞ্জিনগুলোর পরীক্ষার জন্য ব্যয় করবে। ২০২৬ সালের মাঝামাঝি সময়ে (জুন-জুলাই) তারা এই ইঞ্জিনগুলোর ‘Hot-fire’ টেস্ট বা অগ্নি-পরীক্ষা করার পরিকল্পনা করেছে। ইথারিয়ালএক্স প্রথম প্রযুক্তি প্রদর্শনকারী (Technology Demonstrator) ফ্লাইট পরিচালনা করতে চায় ২০২৭ সালের শেষ দিকে। বাণিজ্যিকভাবে উপগ্রহ উৎক্ষেপণ শুরু করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে ২০২৮ সালে। ইতিমধ্যেই তারা বিভিন্ন আন্তর্জাতিক কোম্পানির সাথে প্রায় ১৩০ মিলিয়ন ডলারের লঞ্চ চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।


