টেকসিঁড়ি রিপোর্ট : নিউ ইয়র্ক সিটির নবনির্বাচিত মেয়র জোহরান মামদানী (Zohran Mamdani) এবং ধনকুবের ইলন মাস্কের মধ্যে সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়েছে।
মূল ঘটনাটি হলো নিউ ইয়র্ক ফায়ার ডিপার্টমেন্টের (FDNY) পরবর্তী কমিশনার হিসেবে লিলিয়ান বনসিগানোর (Lillian Bonsignore) নিয়োগ।
জোহরান মামদানী ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে মেয়র হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর লিলিয়ান বনসিগানোকে নিউ ইয়র্ক ফায়ার ডিপার্টমেন্টের ( FDNY ) এর নতুন প্রধান হিসেবে বেছে নিয়েছেন। লিলিয়ান বনসিগানো একজন ৩০ বছরের অভিজ্ঞ ইএমএস (EMS) কর্মকর্তা, যিনি এই বিভাগের প্রথম সমকামী এবং ইতিহাসের দ্বিতীয় নারী কমিশনার হতে যাচ্ছেন।
ইলন মাস্ক এই নিয়োগের কড়া সমালোচনা করে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্স -এ লিখেন, এর ফলে মানুষের মৃত্যু হবে। যখন জীবন মরণ দোদুল্যমান, তখন পরীক্ষিত অভিজ্ঞতা থাকা জরুরি।” মাস্কের আপত্তির মূল কারণ ছিল—বনসিগানোর ইএমএস (জরুরি চিকিৎসা সেবা) বিভাগে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা থাকলেও তিনি কখনো সরাসরি ‘ফায়ারফাইটার’ বা দমকলকর্মী হিসেবে কাজ করেননি।
জোহরান মামদানী মাস্কের এই মন্তব্যের জবাবে তাকে ধুয়ে দিয়ে লেখেন: “অভিজ্ঞতা অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ, আর ঠিক সেই কারণেই আমি এমন একজনকে নিয়োগ দিয়েছি যিনি ইএমএস-এ ৩০ বছরের বেশি সময় কাটিয়েছেন। আপনি কি জানেন, এই কর্মীবাহিনীই FDNY-তে আসা অন্তত ৭০% জরুরি কলের মোকাবিলা করে?”
সমর্থকরা বলছেন, নিউ ইয়র্ক ফায়ার ডিপার্টমেন্টের সিংহভাগ কাজই এখন স্বাস্থ্যসেবা ও জরুরি চিকিৎসা সংক্রান্ত, যা বনসিগানোর বিশেষত্বের জায়গা। তাছাড়া প্রশাসনিক দক্ষতার জন্য সরাসরি আগুনের সামনে কাজ করার অভিজ্ঞতা সব সময় বাধ্যতামূলক নয়।
মাস্ক এবং অন্যান্য সমালোচকরা বলছেন, অগ্নিনির্বাপণের কৌশল ও মাঠ পর্যায়ের অভিজ্ঞতা ছাড়া বিশ্বের বৃহত্তম ফায়ার ডিপার্টমেন্ট পরিচালনা করা বিপজ্জনক হতে পারে।


