15 C
Dhaka
৬ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ‎ ‎ ‎ ‎‎ ‎ ‎ ‎ ‎ ‎ ২৩শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ ‎ ‎ ‎‎ ‎ ‎ ‎ ‎ ‎ ১৮ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
টেকসিঁড়ি

আইসিটি আইনে মামলা হচ্ছে পলক ও ইমদাদের নামে

টেকসিঁড়ি রিপোর্ট : ১৫ জুলাই থেকে দফায় দফায় ইন্টারনেট বন্ধ নিয়ে জুনাইদ আহমেদ পলক ও মো. ইমদাদুল হক মিথ্যাচার করে মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করেছেন । এবার আইসিটি আইনে মামলা হতে যাচ্ছে সদ্য সাবেক ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক ও ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর সংগঠন ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (আইএসপিএবি) সভাপতি মো. ইমদাদুল হকের বিরুদ্ধে।

মামলার এজাহারে পলক ও ইমদাদের নানান সময় নানান ধরনের মন্তব্যের তথ্য-উপাত্ত ও পরিসংখ্যান উল্লেখ থাকবে। বুধবার সকালে ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ এম জুলফিকার হায়াতের আদালতে এই মামলা দায়ের করার কথা ছিল।

কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন যখন তুঙ্গে, এমন সময় পুরো দেশকে ইন্টারনেটবিহীন করে জুনাইদ আহমেদ পলক ডেটা সেন্টারে আগুন, সাবমেরিন কেবলের তার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়াসহ নানা কথা বলেন। সে সময় সরকারিভাবে জনগণের ফোনে এসএমএস পাঠানো হয়, ‘সন্ত্রাসীদের আগুনের কারণে ডেটা সেন্টার পুড়ে যাওয়া এবং আইএসপির তার পুড়ে যাওয়ার কারণে সারা দেশে ইন্টারনেট সেবা ব্যাহত, মেরামত করতে সময় লাগবে।’

মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ প্রসঙ্গে ১৮ জুলাই জুনাইদ আহমেদ পলক জাতীয় ও নাগরিক নিরাপত্তার কথা বলেছিলেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো সহযোগিতা করলে সরকারকে কঠোর অবস্থানে যেতে হতো না বলেও সেদিন তিনি বলেছিলেন।

ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটও ১৮ জুলাই রাত ৯টা থেকে বন্ধ হয়ে যায়। এ বিষয়ে জুনাইদ আহমেদ পলক ১৮ জুলাই বেলা ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত অগ্নিসংযোগের কারণে মহাখালীতে অবস্থিত ডেটা সেন্টার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কথা বলেছেন। এ ছাড়া সারা দেশে শত শত কিলোমিটার ফাইবার কেবল পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছিলেন তিনি।

ওই সময় একই সূরে কথা বলেন আইএসপিএবির সভাপতি ইমদাদুল হক। আগুনে পুড়ে যাওয়া ডাটা সেন্টার সংস্কার করতে সময় লাগবে বলে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ান ইমদাদ।

গত ২৭ জুলাই সাবেক প্রতিমন্ত্রী আগারগাঁওয়ের ডাক ভবনে এক অনুষ্ঠানে বলেছিলেন, মহাখালীতে তিনটা ডেটা সেন্টারে আইএসপিদের (গ্রাহক পর্যায়ে ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান) ৭০ শতাংশ সার্ভার থাকে। দেশের ৩৪টি আইআইজির (ইন্টারন্যাশনাল ইন্টারনেট গেটওয়ে) মধ্যে ১৮টির ডেটা এই তিনটি ডেটা সেন্টারে হোস্ট করা। সরকার ইন্টারনেট বন্ধ করেনি। ইন্টারনেট বন্ধ হয়ে গেছে।

এমনকি গত ২৩ জুলাই মহাখালীতে ক্ষতিগ্রস্ত ভবন পরিদর্শনে গিয়েও তিনি বলেছিলেন, অগ্নিসংযোগের কারণে ডেটা সেন্টার সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। তখন তারা ইন্টারনেট বন্ধ করতে বাধ্য হন।

ইন্টারনেট বন্ধে আগুন লাগার কোন সম্পর্ক ছিল না : তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ

‘কোটি কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে বিটিআরসিতে’

Related posts

দালাল ও ভোগান্তিমুক্ত সেবা দিবে “নাগরিক সেবা বাংলাদেশ”

Tahmina

ওটিটি প্ল্যাটফর্ম চালু করেছে পিস টিভি নেটওয়ার্ক

Tahmina

ইইউ’র ৫০০ মিলিয়ন ইউরো জরিমানার বিরুদ্ধে আপিল করেছে অ্যাপল

Tahmina

Leave a Comment