২রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ‎ ‎ ‎ ‎‎ ‎ ‎ ‎ ‎ ‎ ১৯শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ ‎ ‎ ‎‎ ‎ ‎ ‎ ‎ ‎ ১৪ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
টেকসিঁড়ি

পারুল বেগমকে ২ লাখ টাকা ফেরত এবং পোস্ট মাস্টারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ পলকের

টেকসিঁড়ি রিপোর্ট : তানোরের পোস্ট মাস্টার কর্তৃক প্রতারিত পারুল বেগমকে তার গচ্ছিত ২ লাখ টাকা ফেরৎ দেওয়া হবে। ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এর নির্দেশনায় ডাক অধিদপ্তর এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

রবিবার ঢাকায় তানোর পোস্ট অফিসে গ্রাহকদের টাকা আত্মসাত ঘটনায় করণীয় সংক্রান্ত এক বৈঠকে প্রতিমন্ত্রীর উপস্থিতিতে এ সিদ্ধান্ত হয়।

ডাক অধিদপ্তরের তানোর উপজেলা পোস্ট অফিসে পরিবার সঞ্চয়পত্রে টাকা জমা রেখে টাকা ফেরৎ না পাওয়ায় পারুল বেগম আত্মহত্যার চেষ্টা করেন, এই নিয়ে জাতীয় গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রচারিত হয় যা ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী পলকের নজরে পড়ে ।

পলক বলেন, ডাক বিভাগের অল্পসংখ্যক অসৎ কর্মীদের জন্য গোটা ডাক পরিবার ও ডাক পরিবারের সকল সদস্যদের সম্মান আমরা নষ্ট করতে চাই না। তাই ডাক পরিবারের সম্মান অক্ষুণ্ণ রাখতে এবং বাংলাদেশের নাগরিকদের কাছে ডাক বিভাগের গ্রহণযোগ্যতা বহাল থাকতে আমাদেরকে এখন’ই ব্যবস্থা নিতে হবে, অসৎ ও অন্যায়কারীদের প্রতিহত করতে হবে।

প্রতিমন্ত্রী ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে এ বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা চান। ডাক অধিদপ্তর থেকে জানানো হয় ‘ পারুল বেগম তানোর উপজেলা ডাকঘরে দুই লক্ষ টাকার পরিবার সঞ্চয়পত্র ক্রয় করেছিলেন। মেয়াদ শেষ হওয়ার পর পুণরায় মুনাফা লাভের আশায় উপজেলা পোস্টমাস্টার মোহাম্মদ মোকসেদ আলীর কাছে দুই লক্ষ টাকা জমা রেখেছিলেন এবং মাসে মাসে যথারীতি আগের মতই মুনাফা গ্রহণ করতেন। কিন্তু দ্বিতীয়বারে ২ লক্ষ টাকা জমা রাখার সময় তিনি অফিসিয়ালি কোন সঞ্চয়পত্র ক্রয় করেন নি অথবা পোস্ট অফিসে এফ ডি, এসবিতে টাকা জমা রাখেন নি। পারস্পরিক বিশ্বাসে আর্থিক লেনদেন করেছেন মাত্র। যেহেতু পারস্পরিক বিশ্বাসে টাকা জমা রেখেছেন সে ক্ষেত্রে এর দায় ডাক বিভাগের ওপর বর্তায় না ।

সব কিছু জেনে প্রতিমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট পোস্ট মাস্টার এর নিকট থেকে ব্যক্তিগত লেনদেনের টাকা আদায়ে পারুল বেগমকে সহযোগিতাসহ সংশ্লিষ্ট উপজেলা পোস্ট মাস্টারের বিরুদ্ধে অনৈতিক আর্থিক লেনদেন করার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন।

এরই ধারাবাহিকতায় প্রতিমন্ত্রী আজকের এ বিষয়ক পর্যালোচনা থেকে সংশ্লিষ্টদের তানোর ছাড়াও বাংলাদেশের সর্বত্র এমন অসঙ্গতিগুলো খুঁজে বের করে প্রতিহত করা এবং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার নির্দেশনা প্রদান করেন । একইসাথে সরকারি রশিদ ব্যতীত যেন কেউ কোন টাকা লেনদেন না করেন, সেই বিষয়ে সচেতনতা তৈরি করার প্রয়োজনীয়তার ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, তানোরের পারুল বেগমের কান্না ডাক বিভাগের দায়বদ্ধতার বিষয়। আর কোন পারুল বেগমের কান্নার কারন যেন ডাক বিভাগ না হয়, তাই আমাদের এখনই ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। আমরা চাই আমাদের ডাক বিভাগের সেবার মান বৃদ্ধি ও সম্পদের সুষ্ঠ ব্যবহার নিশ্চিত করে বাংলাদেশের নাগরিকদের নির্বিঘ্ন সেবা প্রদান করতে এবং গ্রাম বাংলার সাধারণ মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে।

Related posts

বাজারে এসেছে রিয়েলমি ১২, প্রিঅর্ডারে লাখ টাকা পুরষ্কার

Tahmina

“সিএসই ও আইটি শিক্ষার্থীদের পেশাগত উন্নয়নের জন্য সফটওয়্যার ইন্ডাস্ট্রি – একাডেমিয়া সহযোগিতা” বিষয়ে গোলটেবিল আলোচনা অনুষ্ঠিত

TechShiri Admin

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ অধ্যাদেশ, ২০২৫: বাড়ছে নজরদারি, থাকছে আড়ি পাতার সুযোগ

Samiul Suman

Leave a Comment