টেকসিঁড়ি রিপোর্ট ঃ মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা World Sustainable Development Goals Challenge (WSDG) 2026-এ গোল্ড অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেছেন ইউনিভার্সিটি অব ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি, বাংলাদেশ (ইউএফটিবি)-এর দুই শিক্ষার্থী মো. আল রিয়াদ ও ওয়াসিফ আজান নাফিজ।
WSDG 2026 International Awarding Ceremony-তে তাদের হাতে গোল্ড অ্যাওয়ার্ডের সনদ তুলে দেওয়া হয়। গত ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ মালয়েশিয়ার Multimedia University (MMU), সাইবারজায়ার Tun Chancellor Hall-এ এই আন্তর্জাতিক পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
তারা Designing Infrastructure-Independent Mesh Communication with End-to-End Security and Real-Time Health Monitoring for Military Personnel Situational Awareness শীর্ষক উদ্ভাবনী প্রকল্পের জন্য এ পুরস্কার অর্জন করেন।
প্রকল্পটিতে অবকাঠামো নির্ভরতা ছাড়াই নিরাপদ যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং সামরিক সদস্যদের স্বাস্থ্য পরিস্থিতি রিয়েল-টাইমে পর্যবেক্ষণের প্রযুক্তিগত সমাধান তুলে ধরা হয়েছে।
প্রকল্পটির সুপারভাইজার হিসেবে ছিলেন ইউএফটিবি এর ইন্টারনেট অব থিংস এন্ড রোবোটিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ফারজানা আক্তার এবং একই বিভাগের প্রভাষক মোঃ আশিকুচ্ছালেহীন।
উদ্ভাবন, সৃজনশীলতা এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ অর্থবহ সমাধান তৈরির স্বীকৃতিস্বরূপ তাদের এ পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে। একই সঙ্গে ভবিষ্যৎমুখী চিন্তা ও উদ্ভাবনের চর্চাকে উৎসাহিত করার বিষয়টিও এ আয়োজনের মাধ্যমে গুরুত্ব পেয়েছে।
গোল্ড অ্যাওয়ার্ড অর্জন করায় শিক্ষার্থী মো. আল রিয়াদ ও ওয়াসিফ আজান নাফিজকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন ইউএফটিবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ মোক্তার আলী। উপাচার্য বলেন, শিক্ষার্থী মো. আল রিয়াদ ও ওয়াসিফ আজান নাফিজের এ আন্তর্জাতিক অর্জন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রযুক্তিনির্ভর উচ্চশিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবনী কার্যক্রমের ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য। বিশেষ করে নিরাপদ যোগাযোগ, রিয়েল-টাইম স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ এবং অবকাঠামোবিহীন প্রযুক্তি ব্যবস্থার মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের কাজ আন্তর্জাতিক পর্যায়ে স্বীকৃতি পাওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা ও উদ্ভাবন কার্যক্রমে নতুন সম্ভাবনার সৃষ্টি হয়েছে।
উপাচার্য আরও বলেন, এ ধরনের আন্তর্জাতিক অর্জন আমাদের শিক্ষার্থীদের গবেষণা, উদ্ভাবন এবং প্রযুক্তিনির্ভর সমস্যা সমাধানে আরও উৎসাহিত করবে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের তরুণ প্রযুক্তিবিদদের সক্ষমতা তুলে ধরতে এ অর্জন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।



