টেকসিঁড়ি রিপোর্ট : ‘পূজার ফেস্ট, শাওমি’তে বেস্ট’ স্লোগানে বিশেষ পূজা ক্যাম্পেইন নিয়ে এসেছে প্রযুক্তি ব্র্যান্ড শাওমি । এই ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে ক্রেতারা নির্ধারিত শাওমি ফোনে বাড়তি খরচ ছাড়াই কার্ডবিহীন কিস্তি সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন।
উৎসবের মৌসুমে প্রযুক্তিকে সবার হাতের নাগালে নিয়ে আসতে সহজ পেমেন্ট সুবিধা, ক্যাশব্যাক ও ফ্রি উপহারের সমন্বয়ে শাওমির পূজা ক্যাম্পেইন স্মার্টফোন কেনাকাটায় উৎসাহিত করবে ।
এই ক্যাম্পেইনের আওতায়, রেডমি নোট ১৭ প্রো সিরিজ কেনার মাধ্যমে ক্রেতারা কার্ডলেস ইএমআই সুবিধার পাশাপাশি, ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক সুবিধা পাবেন। এছাড়াও, আকর্ষণীয় পুরস্কারসহ রেডমি হেডফোন নিও, রেডমি বাডস ৮ লাইট ও ব্যাগ বান্ডেল (ট্রাভেল ব্যাগ ও থার্মাল ফ্লাস্ক) উপভোগ করতে পারবেন।
নোট সিরিজের নতুন রেডমি নোট ১৭ ফাইভজি ডিভাইসটিতে শক্তিশালী স্ন্যাপড্রাগন ৪ জেন ৫ চিপসেট, সুবিশাল ৭,৭০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি ও ৪৫ ওয়াট টার্বো চার্জিং ব্যবহার করা হয়েছে, যা ব্যবহারকারীদের জন্য স্মুথ স্মার্টফোন অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করবে।
পাশাপাশি, স্মার্টফোনটিতে কর্নিং গরিলা গ্লাস ৭আই প্রোটেকশন সহ ৬.৯৯ ইঞ্চি অ্যামোলেড ডিসপ্লে ব্যবহার করা হয়েছে। রেডমি নোট ১৭ ফাইভজি একটি স্টোরেজ ভ্যারিয়েন্টে (৮ জিবি + ২৫৬ জিবি) পাওয়া যাচ্ছে, যার দাম ৪২,৯৯৯ টাকা।
৭৫% ডাউন পেমেন্টে কোনো বাড়তি খরচ ছাড়াই বাকি ২৫% টাকা কিস্তিতে পরিশোধ করে ক্রেতারা রেডমি নোট ১৭ ৫জি (৮ জিবি + ২৫৬ জিবি) কিনতে পারবেন। এর সঙ্গে থাকছে একটি রেডমি বাডস ৬ প্লে সম্পূর্ণ ফ্রি। এছাড়া, রেডমি নোট ১৭ (৮ জিবি + ২৫৬ জিবি), রেডমি নোট ১৭ (৬ জিবি + ১২৮ জিবি) এবং রেডমি এ৭ (৩ জিবি + ৬৪ জিবি) স্মার্টফোনগুলো কেনার ক্ষেত্রেও ৭৫% ডাউন পেমেন্ট দিয়ে বাকি ২৫% টাকা কোনো অতিরিক্ত খরচ ছাড়াই ৩–৪ মাসের কিস্তিতে পরিশোধের সুযোগ থাকছে।
ক্যাম্পেইনের আনন্দ আরও বাড়াতে, শাওমি ১৭টি ও রেডমি নোট ১৫ প্রো প্লাস ফাইভজিতে ক্রেতাদের জন্য থাকছে একটি ফ্রি রেডমি বাডস ৬ প্লে, যা উৎসবপ্রেমী ক্রেতাদের শাওমির স্মার্ট ডিভাইস ইকোসিস্টেমের আরও কাছাকাছি নিয়ে আসবে।
এ বিষয়ে শাওমি বাংলাদেশের কান্ট্রি জেনারেল ম্যানেজার জিয়াউদ্দিন চৌধুরী বলেন, “শাওমিতে প্রযুক্তি ও স্মার্টফোন ব্যবহারের অভিজ্ঞতা সবার জন্য সহজলভ্য করা সবসময়ই আমাদের মূল লক্ষ্য। পূজা ফেস্ট ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে বাড়তি খরচ ছাড়াই কার্ডবিহীন কিস্তি সুবিধা ও আকর্ষণীয় অফারের মাধ্যমে আমরা উৎসবের কেনাকাটাকে আরও স্বাচ্ছন্দ্যময় করতে চাই।


