টেকসিঁড়ি রিপোর্ট : ভারতের রাজধানী দিল্লিতে বর্তমানে ভোটার তালিকা সংশোধন এবং নির্বাচন কমিশনের প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে ককরোচ জনতা পার্টি (CJP) ও বিভিন্ন যুব গোষ্ঠীর নেতৃত্বে তীব্র আন্দোলন চলছে। ভোটার তালিকা থেকে প্রায় ১৩ কোটি নাম বাদ দেওয়ার বিরুদ্ধে এই বিক্ষোভ শুরু হয়েছে।

বিক্ষোভ ঠেকাতে ইন্টারনেট বন্ধের আদেশ দিয়েছে সরকার । সরকারি সেই নথি ফাঁস করে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়েছে বিক্ষুব্ধরা।
দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেলের ‘টপ সিক্রেট’ হিসেবে চিহ্নিত একটি ফাঁস হওয়া মেমোতে এয়ারটেল, ভোডাফোন আইডিয়া, জিও এবং এমটিএনএল-কে জনপথ-কর্তব্যপথ ক্রসিংয়ের ৪ কিলোমিটারের মধ্যে মোবাইল ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর আওতায় রয়েছে ইন্ডিয়া গেট, রাষ্ট্রপতি ভবন, সংসদ এলাকা এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রণালয়গুলো।
আদেশে কোনো কারণ উল্লেখ করা হয়নি যে, কেন ৯ অক্টোবর রাত ১০টা থেকে ১০ অক্টোবর রাত ১০টা (আইএসটি) পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টার জন্য মোবাইল ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন রাখা হবে।
তাছাড়া পুলিশ দেশজুড়ে বিভিন্ন স্থানে ধরপাকড় চালিয়েছে। আন্দোলনকারীদের দাবি অনুযায়ী প্রায় ১০ হাজার মানুষকে আটক করা হয়েছে।
নিরাপত্তা জোরদার করতে দিল্লির ৫৭টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখা হয়েছে এবং ৬১টি দূরপাল্লার ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। ১০ অক্টোবর ২০২৬-এর পূর্বনির্ধারিত বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘিরে দিল্লিতে প্রায় ২৩ হাজার সশস্ত্র পুলিশ ও প্যারা মিলিটরি মোতায়েন করা হয়েছে।
এই আন্দোলনের প্রধান দাবি, নির্বাচন কমিশনের প্রধানের পদত্যাগ এবং ভোটার তালিকা নিয়ে অনিয়মের অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত। ইন্টারনেট বন্ধের নথি ফাঁস হওয়ায় এবার আন্দোলন কি রুপ নেয় জানা যাবে আগামীকাল ,এমন মন্তব্য করছেন সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারকারীরা।


